Breaking News

আমাদের ভাই গুলি করে কাদের উপর |RIGHTBD

সব ধরণের কিছু মন্তুভ ধরা হলো এখানে। 

মাদার অব হিউম্যানিটি,
আপনি যদি ভেবে থাকেন কোটা বাতিল করলে রাস্তায় মিছিল করার মতো লোক পাওয়া যাবেনা,পুলিশ বাহিনীর সাথে ডাঙ্গাবাজ কর্মী বাহিনী পাওয়া যাবেনা।

তাহলে শুনুন কথা দিচ্ছি মেধাবীরা আপনার পাশে থাকবে। আপনার হয়েই মিছিল করবে।
যদি কোটা সংস্কার করে দেন।
মুক্তি যোদ্ধারা ভিক্ষাবৃত্তির জন্য যুদ্ধ করেনি,তারা যুদ্ধ করেছে দেশ প্রেম থেকে।

তাদের সন্তান হয়ে আমরা কোটার মতো ভিক্ষা নিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তি যোদ্ধাদের নাম বিক্রি করে তাদের বংশধর হিসেবে নিজেদের অপদার্থ প্রমাণ করতে চাইনা।
বরং নিজেদের মেধা দিয়ে তাদের যোগ্য বংশধর হিসেবে প্রমাণ করতে চাই।
আপনি কি চাননা এই মেধাবীরা বঙ্গ বন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ুক??
মাদার অব হিউম্যানিটি, আপনি রাত তিনটায় ফোন করে ভিসির খবর নিতে পারেন অথচ কোটা বিষয়ে সব জানার পরও ঘোষনা দিতে পারেন না।
লক্ষ লক্ষ তরুনের মনের খবর নিতে এগারোটায় আলাদা টাইম দেওয়া লাগে।
মাদার অব হিউম্যানিটি
আপনার কাছে দুই নীতি আমরা কখনো আশা করি না
"কোটা ব্যবস্থা নিকাপ যাক। 




এখনো অনেক মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসার অভাবে ধুকে ধুকে মরছেন । এখনো আপনার তাদের শতভাগ সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারেন নি । কিন্তু মৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নাতীদের জন্য দিন দিন সুযোগ সুবিধার কোটাগুলো বাড়িয়ে যাচ্ছেন ।
আর কিছু বলতে গেলেই প্রশাসন লেলিয়ে দিচ্ছেন ।
কেন এই বৈষম্য ??????
বৈষম্য বিরোধী আন্দলোনই ছিল আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম বীজ.....ভুলে গিয়েছেন কী আপনারা????

রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতাকে আর লজ্জিত করবেন না।
স্বাধীন বাংলাদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের রক্তের রঞ্জিত রাজপথ দেখতেই কী সেই সংগ্রামী স্বাধীনতার ঘোষণা হয়েছিল ???
এ লজ্জা শুধুমাত্র 20 কোটি মানুষেরই না , সেই 30 লক্ষ শহীদেরও।




আমরা আমাদের প্রায় প্রতিটি (জাতীয়-আন্তর্জাতিক, সামাজিক-ধর্মীয়, ব্যাক্তিগত-রাষ্ট্রীয়, সাংগঠনিক-প্রাতিষ্ঠানিক)কাজের শুরুতে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি বাংলা মায়ের তিরিশ লক্ষ বীর সন্তানদের যারা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে দেশ ও জাতিকে স্বাধীনতা এনেদিয়েছে। তারা আজ আমাদের সর্বোচ্চ সম্মানের আসন টুকু দখল করে আছে।আমার মনে হয়না এই মুক্তি যুদ্ধারা শুধু তার সন্তান বা নাতি-নাতনিদের জন্য বিশেষ সুবিধার কথা চিন্তা করে দেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ করেছে(শুধু আমার কেন কারোরি এমন মনে হয় না), তাহলে কেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের মহান ত্যাগের প্রতিদান ফিরিয়ে দেওয়ার নামে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে বৌশম্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধাদের উত্তরাধিকারীরা, সুশীলসমাজ এর নামে সুবিধাবোগীরা এমন কিছু করবেন না বা এমন কিছু বলবেন না যাতে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সর্বোচ্চ আসন ক্ষুন্ন হয়। সত্য সুন্দর সঠিক কথা বলুন শিক্ষিত বঞ্চিত অসহনীয় কষ্টে থাকা মেধাবীদের কথা একবার ভাবুন।



আমরা কি দিন দিন অকৃতজ্ঞ জাতিতে পরিণত হচ্ছি ?
যেই দেশে বসে আমরা বড় বড় কথা বলছি, হুঙ্কার দিচ্ছি, আন্দোলন করছি সেই দেশটি যারা আপনাকে আমাকে বুকের রক্ত দিয়ে এনে দিয়েছে তারাই মুক্তিযোদ্ধা। আপনি আমি যেই দেশে বাস করি সেই দেশের জন্মদাতা।
আপনার আমার পরিবারের সদস্যরা যখন মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানিদের অধীনস্ত হয়ে চাকুরী করেছে, বিদেশে গিয়ে পড়াশোনা করেছে, তখন এই বীর যোদ্ধারা দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। যাবতীয় সুযোগ সুবিধা থেকে তারা বঞ্চিত ছিল। তাদের সংসার সন্তান ও পরিবারের সদস্যরা আপনার আমার মতো দুধে ভাতে বড় হয়নি, ভালো ভালো স্কুল কলেজে পড়েনি, প্রাইভেট টিউটর রেখে মেধার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
৩০ লাখ শহীদ ও লক্ষ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধার রক্তে অর্জিত এই দেশে বসে এখন কত্ত বড় লেকচার দিচ্ছেন। তাদের সম্মানে রাখা কোটা বাতিলের দাবিতে নিজেকে বীর পুরুষ বানাচ্ছেন । যেখানে স্পষ্ট লেখা আছে, কোটা পূরণ না হলে সেই শূন্যস্থান মেধার ভিত্তিতেই পূর্ণ হবে।
আরে মুক্তিযোদ্ধারা এই দেশটা এনে না দিলেতো এখনো পাকিস্তানিদের গোলাম থাকতেন, তাদের চাকর বাকর হতেন। বড় অফিসার হবার স্বপ্ন থাকতো সুদূর পরাহত।

No comments