Breaking News

আমরা কেমন যেন দিনদিন বুনো হয়ে যাচ্ছি |S.M. Jakir Hossain || RIGHTBD


আমরা কেমন যেন দিনদিন বুনো হয়ে যাচ্ছি। মানুষ মানুষের কষ্ট দেখে পৈশাচিক আনন্দ পায়, বুনো উল্লাস করে। 

একজন নারীকে লাঞ্ছিত করা হচ্ছে তাতে তাদের আনন্দের শেষ নেই। মেয়েটির বুকভাঙ্গা কান্নাতেও তাদের মন গলেনি বরং আনন্দ আর কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

 এত বড় একটা ঘটনা ঘটছে কোনো নারীকে নারীর প্রতি ব্যথিত হতে দেখিনি, কোনো প্রতিবাদ দেখিনি, দেখিছি বুনো উল্লাস। অথচ সেখানে সবাই ছিল উচ্চ শিক্ষিত।

 এটাই কি সমাজে মানুষের প্রতি মানুষের সম্মান? শ্রদ্ধা? যদি তাই হয় তাহলে সেই সমাজেকে আমরা ঘৃনা করি। এশা কি শুধুই ছাত্রলীগের? এশা কি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয়? 

সেও তো নিজের মেধার পরিচয় দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস রুমে ঢুকেছে। সেও তো আপনাদের মত মানুষ তারও আপনাদের মত সুখ-দুঃখ অনুভূতি আছে, ব্যক্তিগত জীবন আছে, পরিবার পরিজন আছে!


একজন এশা এমনি এমনি তৈরি হয় না। আপনারা যখন নিজের ভবিষ্যত গড়তে ব্যস্ত তখন দেশে জঙ্গি হামলা হয়। আপনারা নিজের স্বার্থটা বুঝে নিরাপদে চলে যান আর এই এশারাই প্রতিবাদ করতে করতে ক্লাসরুম থেকে তপ্ত রাস্তায় নেমে আসে। কেনো আসে জানেন? 

যাতে আপনাদের পড়ায় কোনো বিঘ্ন না ঘটে যাতে আপনাদের ভবিষ্যতটা নিরাপদ হয় যাতে আপনারা একটু ভালো থাকেন। জীবন হাতে নিয়ে সে আপনাদের জন্যই বিদ্রোহী হয়, বিক্ষোভ করে।


আমি জানি, আমরা যত কিছুই করি না কেনো এশার প্রতি যে অবিচার করা হয়েছে তা কোনো ভাবেই পূরণ হবে না। এশার যে পরিচয় সেটা তার নিজের যোগ্যতায় অর্জন করেছে। রাজপথের প্রচন্ড রোদে যখন সবার মাথা ধরে আসে তখন আমাদের মিছিলে এশাও থাকে।

 যে মিছিল হতে পারে আমা‌দের জীবনের শেষ মিছিল সেই মিছিলের অগ্রভাগে থাকে এশা। সেও গাঢ় কণ্ঠে স্লোগান ধরে 'জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’। 


এশা, সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই শুধু জেনো রেখো তুমি যত আঘাত পেয়েছ তারচে দ্বিগুণ আঘাত আমাদের গায়ে লেগেছে। তোমার প্রতি যে তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার জন্য আমরা ব্য‌থিত। 

মা‌ঝে মা‌ঝে সময় মানুষকে তার অনুকূ‌লে চল‌তে বাধ্য ক‌রে। ত‌বে ম‌নে রেখো, আমরা জে‌গে আ‌ছি ভয় নেই তোমার। তুমি আমাদের বোন, আমাদের মিছিলের মানুষ।একজন এশা এমনি এমনি তৈরি হয় না। 

আপনারা যখন নিজের ভবিষ্যত গড়তে ব্যস্ত তখন দেশে জঙ্গি হামলা হয়। আপনারা নিজের স্বার্থটা বুঝে নিরাপদে চলে যান আর এই এশারাই প্রতিবাদ করতে করতে ক্লাসরুম থেকে তপ্ত রাস্তায় নেমে আসে। কেনো আসে জানেন?

 যাতে আপনাদের পড়ায় কোনো বিঘ্ন না ঘটে যাতে আপনাদের ভবিষ্যতটা নিরাপদ হয় যাতে আপনারা একটু ভালো থাকেন। জীবন হাতে নিয়ে সে আপনাদের জন্যই বিদ্রোহী হয়, বিক্ষোভ করে।


আমি জানি, আমরা যত কিছুই করি না কেনো এশার প্রতি যে অবিচার করা হয়েছে তা কোনো ভাবেই পূরণ হবে না। এশার যে পরিচয় সেটা তার নিজের যোগ্যতায় অর্জন করেছে। রাজপথের প্রচন্ড রোদে যখন সবার মাথা ধরে আসে তখন আমাদের মিছিলে এশাও থাকে। 

যে মিছিল হতে পারে আমা‌দের জীবনের শেষ মিছিল সেই মিছিলের অগ্রভাগে থাকে এশা। সেও গাঢ় কণ্ঠে স্লোগান ধরে 'জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’। 


এশা, সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই শুধু জেনো রেখো তুমি যত আঘাত পেয়েছ তারচে দ্বিগুণ আঘাত আমাদের গায়ে লেগেছে। তোমার প্রতি যে তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার জন্য আমরা ব্য‌থিত। 

মা‌ঝে মা‌ঝে সময় মানুষকে তার অনুকূ‌লে চল‌তে বাধ্য ক‌রে। ত‌বে ম‌নে রেখো, আমরা জে‌গে আ‌ছি ভয় নেই তোমার। তুমি আমাদের বোন, আমাদের মিছিলের মানুষ।

No comments