Breaking News

‘বিশ্বাস ছিল বড় দল হবে বাংলাদেশ’ || RIGHTBD


১৯৯৪ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফিতে ভালো খেলেও অল্পের জন্য ভেসে যায় ১৯৯৬ বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন। ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ খেলার প্রস্তুতি নেন তৎকালীন বোর্ড সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী। কোচ হিসেবে নিয়োগ দেন ক্লাইভ লয়েড যুগের বিখ্যাত ওপেনার গর্ডন গ্রিনিজকে। এরপর বাকিটা ইতিহাস। ১৯৯৭ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফির শিরোপা জয়, ’৯৯-এর বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে স্কটল্যান্ড ও পাকিস্তানকে হারানো এবং টেস্ট মর্যাদা পাওয়া। সবগুলো ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটের অগ্রগতির টার্নিং পয়েন্ট।

১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জেতানো বাংলাদেশের কোচ গর্ডন তার পরের যুগে টাইগারদের উত্থান দেখে বেশ উচ্ছ্বসিত। তাই তো বিসিবির ডাকে ঢাকায় এসে সেই উচ্ছ্বাস ঢেকে রাখতে পারেননি। বাংলাদেশ যে একদিন বড় দল হয়ে উঠবে সেটা নাকি জানতেন এই ক্যারিবীয়, ‘আমি সব সময়ই বিশ্বাস করেছি, বাংলাদেশের ক্রিকেট আরো উন্নত হবে।

তাদের সব সময়ই ওপরে ওঠার সম্ভাবনা ছিল। বাংলাদেশের ক্রিকেটের মান নির্ধারণ করাটা একটা কঠিন কাজ। আগে এক সময় আমরা শুধু ওয়ানডে ক্রিকেট খেলতাম। এই আন্তর্জাতিক মানে উঠে আসাটা সব সময় কঠিন একটা ব্যাপার ছিল। এটা বলতে পেরে ভালো লাগছে যে, তারা ব্যতিক্রমীভাবে ভালো করছে। আপনি নিয়মিতভাবে সাফল্য পাবেন, এটা সব সময় হবে না। আমার খুব ভালো লাগে যখন দেখি বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে লড়াই করছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বিতাটা করতে পারে।’

সময় পেলেই বসে পড়েন বাংলাদেশের খেলা দেখতে। তবে দলের সেরা ক্রিকেটার কে সেটা বলতে চাইলেন না তিনি, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেট না দেখে কি করে থাকি? আমার কোনো প্রিয় ক্রিকেটার নেই। আগে যত যত ক্রিকেট দেখতাম, এখন আর তা দেখা হয় না। তবে যখনই সুযোগ পাই, খেলা দেখি। আমি দেখতে চাই, দলটা যাতে একটা গ্রুপ হিসেবে ভালো খেলে।’

মাঝে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের একটা ছেদ পড়েছিল। এবার এসে সেটা একটু ঝালাই করে নিলেন কিংবদন্তি ক্যারিবীয় এই ওপেনার। তার দুই সংস্থার জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছে বিসিবি। তবে সম্পর্কের নতুন শুরুটা আরো এগিয়ে নিতে চান গর্ডন, ‘বাংলাদেশে আমার প্রতিটা স্মৃতিই আমি খুব উপভোগ করি। লিপুর (গাজী আশরাফ হোসেন) সঙ্গে দেখা হলো। সাদের (তানজীব আহসান) শরীরটা মনে হয় ভালো না। ওদের সঙ্গে আমার খুব ভালো যোগাযোগ ছিল। সেটা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। এখন আবার দেখা হলো। এখন আশা করি, আমাদের সম্পর্কটা আবার আগের মতোই চলবে। যে জায়গায় থেমেছিলাম, সেখান থেকেই আবার শুরু হোক।’
নাগরিত্ব পাওয়ায় বাংলাদেশের একটি পাসপোর্ট আছে গ্রিনিজের। এবার ঢাকায় আসার সময় সঙ্গে এনেছেন এটা। সেটা নবায়ন করে ফিরতে চান তিনি। নিজেকে একজন বাংলাদেশি হিসেবেই ভাবতে পছন্দ করেন গর্ডন গ্রিনিজ।

No comments