Breaking News

ক্ষমতার জন্যই ২১ আগস্ট হামলা: খাদ্যমন্ত্রী || RIGHTBD


খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, আগস্ট মাস এলেই বিএনপি-জামায়াত নতুন নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করে। তারা নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার উদ্দেশ্যেই রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ২১ আগস্ট তৎকালীন প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলা করেছিল।  

সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আওয়ামী লীগ নেত্রী বেগম আইভী রহমানের ১৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত এক স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম কলঙ্কিত দিন। 

কামরুল ইসলাম বলেন, আইভী রহমান ছিলেন নারীদের প্রিয় নেত্রী। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আইভী রহমানসহ ২৪ জন নেতাকর্মী শহীদ হন এবং অনেকে আহত হন। পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এই গ্রেনেড হামলা সংঘটিত হয়েছিল। মন্ত্রী বলেন, এই ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তৎকালীন সরকার জজ মিয়া নাটক মঞ্চস্থ করেছিল। এখন এই মামলার যুক্তি তর্ক চলছে। আশা করছি আগামী সেপ্টেম্বরেই আমরা প্রত্যাশিত রায় পাব। 

সম্প্রতি কারাবন্দি বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীরের সাক্ষাতের বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এই সরকার গণতন্ত্রমনা বলেই মির্জা ফকরুল বেগম জিয়ার সঙ্গে এক ঘণ্টা কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন। তবে, সতর্ক করে দিয়ে কামরুল ইসলাম বলেন, ষড়যন্ত্র করতে আপনারা সিদ্ধহস্ত। আবার যদি ষড়যন্ত্র করেন, অগ্নি সন্ত্রাস করেন, দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেন তবে এবার তা সহ্য করা হবে না। এবার জনগণই তা প্রতিহত করবে। সামনে নির্বাচন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির জন্য এটা একটা চ্যালেঞ্জ। সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে এবং নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। 

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি মোল্লা জালাল বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ স্বাধীন করার পর থেকেই ষড়যন্ত্রকারীরা সক্রিয় ছিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তারা স্বাধীনতার মহান নায়ককে হত্যার মাধ্যমে সাময়িক সফলতা পেয়েছিল। তিনি বলেন, দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে পুনরায় নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাওয়ার পর তাকেও ১৯ বার হত্যার অপচেষ্টা করে পুরনো ষড়যন্ত্রকারীরা। মোল্লা জালাল আরও বলেন, ২১ আগস্ট আরেকটি ১৫ আগস্ট সৃষ্টির পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু তারা সফল হতে পারেনি। জনগণ বাংলার মাটিতে আর কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেবে না।

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি আবু জাফর সূর্য ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরীসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন চিত্তরঞ্জন দাস।

No comments